সাহেবরা ও মশাইরা পাপিয়ারা শুনুনঃ কোহিনূর রহমান কেয়া

এক দুই তিন ডেস্কঃ

সাহেবরা ও মশাইরা পাপিয়ারা শুনুনঃ কোহিনূর রহমান কেয়া

সাহেবরা ও মশাইরা এবং মহান পাপিয়ারা শুনুন!!! 
বাবারা,মায়েরা তোমরা টাকা খাও।বেশি বেশি করে খাও।নারিদের বিক্রি করে টাকা খাও।তোমার মা ও বোনকেও বিক্রি করে টাকা বানাও।প্রথমে পেট ভরে খাও,তারপর ট্রাক ভরে খাও।হাড়িপাতিল কলসি গ্লাস ভরে খাও।পকেট ভরে খাও।যেভাবে মনে লয় সেভাবে খাও।তবে হাত দুটো খালি রেখে খাও।কারন পরের হক নষ্ট করলে পরে ভিক্ষা করার জন্য হাত দুটো খালি রেখে দিতে হবে।এমন খাওয়া খাইওনা বাবারা যে রাস্তাঘাটে পিচ দেবার সাথেসাথেই, বৃষ্টির ফোঁটা না পড়তেই পিচ উঠে ইটের টুকরোগুলো সব উঠে গিয়ে গর্ত হয়ে না যায়।একটা চক্ষুলজ্জা ও তো রাখতে হয় চোখে। নাহলে জনগন বলবে কি! এখন সিটি তোমরা রাস্তা বানাও,১০ দিন ও যায়না।গলির ভিতরের সংষ্কারতো করা হয়ই না।যে টুকু করা হয় তাও ১০ দিন ও যায়না এরমধ্যেই রাস্তার দূরাবস্থা দেখা দেয়।বড় বড় রাস্তায় ও দেখা গেছে রাস্তায় ফাটল।কোথাও কোথাও গর্ত ।এখনো বর্ষাকাল বাকী।
এই অবস্থা এখন হলে বৃষ্টির সময়ে কি অবস্থা হবে বাবারা এবং  কন্ট্রাক্টর মশাই সাহেব রা, আপনারা বলবেন কি? কি মশাই এবং সাহেব রা গুমর ফাঁস করলাম বলে রাগ হলো আমার পরে? হবে তো হতেই হবে।কারণ আমি আমার  পকেটের টাকায় রাজনীতি করি।পাপিয়াদের মত নারীদের শরীর বিক্রির টাকায় এবং চুরির টাকায় রাজনীতি করিনা।জনগনের টাকা মেরে পেটনীতি করিণা।এটা আমার ধাতে নেই। আমরা শরীর বিক্রি করতে পারি না বলে বড় পদ নমিনেশন আমাদের মত কপাল পোড়াদের কপালে জুটেনা।এমন নোংরামি আমার পছন্দ নয়।এমন রাজনীতির কপালে ঝাড়ু ও লাথি মারি।আমি এই রাজনীতি করিনা বলে পাপিয়া এবং অপুদের চক্ষুশুল ছিলাম।তাই যুব মহিলা লীগ থেকে বের হলাম।
লেখক ও রাজনীতিবিদ
সহ সভাপতি 
মহিলা আওয়ামী লীগ।
কচুয়া,বাগেরহাট ।