হবিগঞ্জের বাহুবলে টমটম চালক হত্যা

পিবিআইয়ের অভিযানে মূলহোতা গ্রেফতার, সিএনজি উদ্ধার।

হবিগঞ্জের বাহুবলে টমটম চালক হত্যা
ছবিঃ দৈনিক ক্রাইম ডায়রি

হবিগঞ্জ সংবাদদাতাঃ

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় টমটম চালক মোঃ আবুল কাশেম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর অগ্রগতি এসেছে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর অভিযানে এই হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা আসামি এমরান মিয়া (৩০) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সিএনজি জব্দ করা হয়।
পিবিআই সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম মোঃ আবুল কাশেম গত ০৭ জুলাই ২০২৫ তারিখ আনুমানিক বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে প্রতিদিনের ন্যায় বাহুবল থানাধীন মিরপুর টমটম স্ট্যান্ডের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন।

পরদিন ০৮ জুলাই ২০২৫ সকাল আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটে লামাতাসি ইউনিয়নের ভাতকাটিয়া এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মোহাম্মদ আল আমিন (৩১) বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে বাহুবল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি বাহুবল থানার মামলা নং-০৬, তারিখ-০৯/০৭/২০২৫খ্রি., ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড।
মামলাটি পিবিআইয়ের সিডিউলভুক্ত হওয়ায় গত ১০ আগস্ট ২০২৫ তারিখে পিবিআই হবিগঞ্জ জেলা স্ব-উদ্যোগে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে। বর্তমানে পুলিশ পরিদর্শক সুজন চন্দ্র পাল মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
তদন্তকালে পিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হওয়া আসামি ফারুককে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে স্বীকার করে যে, ভিকটিমের টমটম ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করা হয় এবং এই হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা হচ্ছে এমরান মিয়া (৩০)। ফারুক গ্রেফতার হওয়ার পর এমরান মিয়া আত্মগোপনে চলে যায়।
পরবর্তীতে গত ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে তথ্য প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বাহুবল উপজেলার দুলিয়াখাল পয়েন্ট এলাকা থেকে ঘটনার মূলহোতা আসামি এমরান মিয়াকে গ্রেফতার করে পিবিআই।

তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তার হেফাজত থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সিএনজি উদ্ধার করা হয়।
পিবিআই জানিয়েছে, নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন এবং টমটম উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। 

দৈনিক ক্রাইম ডায়রি // আইন শৃঙ্খলা