“পাকিস্তানি মদদপুষ্ট ড্রাগ ও অস্ত্র চোরাচালানকারি পাঞ্জাব পুলিশের হাতে গ্রেফ্তার ”
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
পাঞ্জাব পুলিশ পাকিস্তানের মদদকৃত ড্রাগ ও অবৈধ অস্ত্রের চালান আটক করে এবং চারজন চোরাচালানকারীকে গ্রেফ্তার করা হয় যাদের মধ্যে জম্মু-কাশ্মীরের সাম্বা জেলায় কর্মরত একজন বিএসএফ কনস্টেবল রয়েছে, সোমবার কর্মকর্তারা এসব জানায়।
বিএসএফ কনস্টেবল সুমিত কুমারের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ৮০ টি লাইভ কার্তুজ সহ একটি ৯ মিমি পিস্তল যাতে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের চিহ্ন রয়েছে, আরো পাওয়া যায় ১২ বোরের ২ টি ম্যাগাজিন ও ৩২.৩০লাখ রুপি সমমূল্যের ড্রাগস।
ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (ডিজিপি) দিনকর গুপ্তা বলেন, গুরুদাসপুরের কনস্টেবল সুমিত কুমার সহ সিমরজিত সিং, মনপ্রিত সিং ও আমনপ্রিত সিং নামে আরো তিনজনক সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি জানান ১১ জুলাই জলন্ধর পুলিশ জগজিৎ নামে এক ব্যাক্তির খুনের দায় আমনপ্রিত সিং কে গ্রেফতার করে।
তদন্তের সময় আমনপ্রিত জানায় যে সে পাকিস্তানের শাহ মুসার সাথে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে নারকেটিকস ও অস্ত্র চোরাচালানে জড়িত।
আমনপ্রিত আরো জানায় যে মনপ্রিত সিং ও বিএসএফ এর জম্মু-কাশ্মীর সীমান্তে নিয়োজিত এক কনস্টেবলের মাধ্যমে শাহ মুসার সাথে তার পরিচয় হয়।
সে আরো জানায়, সুমিত কুমার একটি খুনের মামলায় গুরুদাশপুর জেলে থাকার সময় মনপ্রিত সিং এর সাথে পরিচিত হয়।
গুপ্তা বলেন যে ড্রাগ ও অস্ত্র চোরাচালানের পরিকল্পনা জেলে বসেই সাজানো হয়।
মনপ্রিত সিং পরবর্তীতে আমনপ্রিত, সিমরজিত ও সুখওয়ান্তের সাথে সুমিত কুমারের পরিচয় করিয়ে দেয়।
এই পরিকল্পনা জানতে পেরে ১২ জুলাই জলন্ধর পুলিশ মনপ্রিত ও সিমরজিত কে গ্রেফতার করে। অপরদিকে ১১ জুলাই বিএসএফ এর সহায়তায় ডিজিপি গুপ্তা বিএসএফ কনস্টেবল সুমিত কুমারকে গ্রেফতার করে।
ডিজি গুপ্তা জানান যে সুমিত কুমার পূর্ববর্তী বিভিন্ন সময়ে সীমান্তে ড্রাগ ও অস্ত্র চোরাচালানের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। (IANS)


crimediarybd1








