বগুড়ার ফুডভিলেজখ্যাত ধনকুন্ডি হতে ২ শিশুসহ মা নিখোঁজ
ঢাকা হতে বগুড়ার দিকে যেতে চান্দাইকোনা বাজারের পরই ফুডভিলেজ হোটেল। এই ফুডভিলেজটি ধনকুন্ডি গ্রামে অবস্থিত। ধনকুন্ডি হতে ফাতেমা নামের একজন গৃহবধু গত বুধবার হতে ২ সন্তানসহ নিখোজ রয়েছে। ক্রমান্বয়ে হারানোর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কেউ বা সত্যিই হারাচ্ছে আবার কেউবা নিজেকে লুকিয়ে ফেলছে সাংসারিক অভিমানে।
এখন পর্যন্ত সে বাসায় ফিরে আসেনি কিংবা পাওয়া যায়নি। মেয়েটির নাম: ফাতেমা, স্বামী : নাজমুল হাসান। গ্রাম: ধনকুন্ডি, ডাকঘর: চান্দাইকোনা , পোষ্টকোড: ৫৮৪১, খানা: শেরপুর, জেলা: বগুড়া।
পরিবারের পক্ষে যোগাযোগের মোবাইল নম্বর: 01788286319 অথবা নিকটস্থ থানায় খবর দেয়ার জন্য পরিবারের পক্ষ হতে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।
মো: রেজাউল করিম, ষ্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া হতে:
বগুড়া জেলার ঐতিহ্যবাহী ফুডভিলেজখ্যাত ধনকুন্ডি গ্রাম। দুই জেলার আন্ত:সংযোগ এই ধনকুন্ডি গ্রাম। গত বুধবার অর্থাৎ ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৪ইং আনুমানিক সকাল ১০ টার দিকে বাড়ি থেকে রাগ করে ২ টা সন্তান সহ চলে যায় ধনকুন্ডি গ্রামের নাজমুল হাসানের স্ত্রী ফাতেমা। এখন পর্যন্ত সে বাসায় ফিরে আসেনি কিংবা পাওয়া যায়নি। মেয়েটির নাম: ফাতেমা, স্বামী : নাজমুল হাসান। গ্রাম: ধনকুন্ডি, ডাকঘর: চান্দাইকোনা , পোষ্টকোড: ৫৮৪১, খানা: শেরপুর, জেলা: বগুড়া ।
পরিবারের পক্ষে যোগাযোগের মোবাইল নম্বর: 01788286319 অথবা নিকটস্থ থানায় খবর দেয়ার জন্য পরিবারের পক্ষ হতে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য যে, মেয়েটির বাবার বাড়ি এবং শ্বশুরবাড়ি পাশাপাশি। মেয়েটির বাবা ও মা মেয়ে হারানোয় শোকে অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
বাংলাদেশে ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী ছেলেমেয়েদের সংখ্যা প্রায় ৪০ মিলিয়ন, মানে চার কোটি। প্রতি দশ লাখ শিশুর মধ্যে গড়ে যদি প্রতি সপ্তাহে একটি করে হারানোর ঘটনা ঘটে তাহলে সপ্তাহে ৪০ টা হারানোর ঘটনা ঘটতে পারে। এর মধ্যে মাত্র ১০টাও যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় তাহলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়তে পারে, অথচ এটা অস্বাভাবিক কোনো সিনারিও না। কোনো চক্রান্ত না হলে এসব হারানো শিশুর প্রায় সবই আবার ফেরত পাওয়া যায়। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ! হারানোর খবরের সাথে সাথে সবাই আগেই পোস্ট দিয়ে দেয়, হয়তো বাচ্চা আশেপাশে কোথাও আছে।
ইদানীং শুধু শিশুরাই নয় বরং মাসহ শিশু কিংবা বড়মানুষেরও হারানোর ঘটনা ঘটছে। কেউবা সাংসারিক মান অভিমানে আবার কেউবা পাচারকারী চক্রের শিকার। ইদানিং কালে মান অভিমানে বউ কিংবা বাচ্চাদের হারানোর ঘটনা বেশি ঘটছে। এর কারন হতে পারে সামাজিক অবক্ষয় কিংবা বিভিন্ন সিরিয়াল দেখে নৈতিকতা হারানো। বাচ্চা হারানোর, বিশেষত মাদ্রাসাপড়ুয়া বাচ্চাদের হারানো সংক্রান্ত অনেক পোস্ট দেখা যাচ্ছে। এটা সত্যিই কোনো ষড়যন্ত্র কি না আল্লাহই ভালো জানেন। মাদ্রাসা বোর্ডগুলোর উচিৎ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা নিয়ে তদন্ত কর কোনো একটা ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
একইসাথে যারা বাচ্চা হারানোর পোস্ট দিবেন, দয়া করে সাথে "হারানোর তারিখ" উল্লেখ করে পোস্ট দিবেন। বাচ্চা খুঁজে পাওয়ার তথ্য জানতে পারলে নতুন পোস্ট দিয়ে আবার সকলকে জানিয়ে দেবেন। যারা বাচ্চা হারানোর পোস্ট শেয়ার দিয়েছিলেন তারা সবাই বাচ্চা ফিরে পাওয়ার পোস্টও শেয়ার দিবেন।
হারিয়ে যাওয়া বাচ্চা ফিরে পেলে তার কাছ থেকে শুনে যথাসম্ভব সঠিক বর্ণনাটা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করবেন। "বাচ্চা ফিরে পেয়েছেন, আর চিন্তা কিসের" ভেবে বসে থাকবেন না। বাচ্চাদের হারানোর কাহিনিগুলো এনালিসিস করেও এগুলোর ধরণ সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া যাবে যে এটা কোনো চক্রান্তের অংশ, নাকি চলমান ঘটনা।
ক্রাইম ডায়রি// জেলা/ রেজা










