ট্রাফিক এন্ড ড্রাইভিং স্কুলে শহীদ জিয়াকে নিয়ে সেমিনার, দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান
মহান স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসে ট্রাফিক এন্ড ড্রাইভিং স্কুলে “উই রিভোল্টঃ রাষ্ট্রনায়ক শহীদ জিয়া ও মহান স্বাধীনতা দিবস” শীর্ষক সেমিনার আজ অনুষ্ঠিত হয়।
ডেস্ক রিপোর্টঃ
মহান স্বাধীনতা ও বিজয় দিবস উপলক্ষে ট্রাফিক এন্ড ড্রাইভিং স্কুলে “উই রিভোল্টঃ রাষ্ট্রনায়ক শহীদ জিয়া ও মহান স্বাধীনতা দিবস” শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান আলোচকরা শহীদ প্রেসিডেন্ট Ziaur Rahman-এর জীবন, নেতৃত্ব ও জাতীয়তাবাদী দর্শনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ একটি যুগান্তকারী ধারণা, যা আমাদের জাতিগত পরিচয়ে নতুন এক মাত্রা যুক্ত করেছে। মুক্তিযুদ্ধের পর, যখন পুরো জাতি একটি সত্তার সন্ধানে ছিল, তখন জিয়া তাঁর সাহসী ও বিচক্ষণ নেতৃত্বের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদকে একটি বৃহত্তর দৃষ্টিকোণে উপস্থাপন করেন।
লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে তিনি যে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা আজও আমাদের হৃদয়ে গেঁথে রয়েছে। স্বাধীনতার পর, যখন দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছিল সাহসী নেতৃত্বের উপর, তখন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর উপপ্রধান পদে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে দেশের নিরাপত্তা এবং সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করেছেন। তাঁর নেতৃত্বের সেই সময়ের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও সাহস আমাদের অনুপ্রাণিত করে, যেন তিনি ছিলেন আমাদের আশার আলো—যার সাহস ও নেতৃত্বের কথা জাতির ইতিহাসে চিরকাল অমলিন থাকবে। আর তাই এই স্বাধীনতার মাসে তাঁর কর্মময় বর্ণাঠ্য জীবন নিয়ে ট্রাফিক স্কুলে সেমিনার আয়োজন করা হয়।
মহান স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসে ট্রাফিক এন্ড ড্রাইভিং স্কুলে “উই রিভোল্টঃ রাষ্ট্রনায়ক শহীদ জিয়া ও মহান স্বাধীনতা দিবস” শীর্ষক সেমিনার আজ অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারের মূল বক্তা ও প্রবন্ধ উপস্থাপক অ্যাডিশনাল ডিআইজি মোহাম্মদ আব্দুল হালিম বলেন স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের অসামান্য দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের ভেদাভেদ ভুলে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানায়, যেখানে ধর্ম, ভাষা ও সংস্কৃতির বৈচিত্র্য সমন্বিত হয়ে একজাতীয়তার ধারণা প্রতিষ্ঠা করে।
তাঁর নেতৃত্বের মূর্তিমান ছবি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, কিভাবে এক শ্বাসরুদ্ধকর ইতিহাসের পটভূমিতে আমরা স্বাধীনতার সূর্য উজ্জ্বল করেছি।
আজকের বাংলাদেশে, যখন আমরা সামনের দিকে এগুচ্ছি, জিয়ার আদর্শ আমাদের জন্য একটি প্রেরণার উৎস হয়ে আছে, যা আমাদের ঐক্য ও মানবিকতাকে আরও মজবুত করে।
বাঙালি জাতির এক চরম ক্রান্তিলগ্নে তাঁর আবির্ভাব হয়েছিল অসীম সাহসিকতা ও প্রজ্ঞা নিয়ে; চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তাঁর স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে উজ্জীবিত করেছিল, একত্রিত করেছিল এক লক্ষ্য অভীষ্টে।
মুক্তিযুদ্ধে যোদ্ধা হিসেবে তাঁর অবদান, জেড ফোর্সের নেতৃত্ব—এগুলো ছিল তাঁর অদম্য সাহসের প্রতীক। শহীদ জিয়া যখন স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, তখন কেউ ধর্ম বর্ণ কোনোকিছুর দিকে তাকায়নি, তাঁর ঘোষণার সাথে ঐক্যমত পোষণ করে একটি স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সবাই ঝাঁপিয়ে পড়ে।
তিনি আশা প্রকাশ তার এই সেমিনারে অংশগ্রহণ করা বিভিন্ন পদবীর প্রশিক্ষানার্থীদের মাঝে দেশ প্রেম উজ্জীবিত করবে এবং জন বান্ধব পুলিশ মনোভাব জ্রাগত হবে। এই সময় টিডিএসের আগত প্রশিক্ষনার্থী ছাড়াও প্রশিক্ষক ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
দৈনিক ক্রাইম ডায়রি // স্পেশাল










