গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ: বগুড়ার মাটি ও মানুষের নেতা

নির্বাচনী এলাকা শেরপুর ও ধুনটের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গ্রহণ করেছেন নানা পদক্ষেপ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া, সমাজসেবা,মাদকবিরোধী আন্দোলন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে তার অবদান এলাকাবাসীর হৃদয়ে গেঁথে আছে।

গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ:  বগুড়ার মাটি ও মানুষের নেতা
ছবি: দৈনিক ক্রাইম ডায়রি

নির্বাচনী এলাকা শেরপুর ও ধুনটের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গ্রহণ করেছেন নানা পদক্ষেপ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া, সমাজসেবা,মাদকবিরোধী আন্দোলন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে তার অবদান এলাকাবাসীর হৃদয়ে গেঁথে আছে।

অনলাইন ডেস্ক:

গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ একটি ব্রান্ড। সুদীর্ঘকাল ধরে যিনি বগুড়া অঞ্চলের মাটি ও মানুষের নেতা হিসেবে বিশেষ পরিচিত। এমনকি এই অঞ্চলের লাখো পরিবারের অভিভাবকও তিনি।  ঐতিহ্যবাহী বগুড়া -৫  আসন। যা শেরপুর ও ধুনট থানা নিয়ে গঠিত।  উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হওয়ায় শেরপুর একটি গুরুত্বপূর্ন  জায়গা।  এই আসনের রাজনীতিতে এক জনপ্রিয় নাম গোলাম মোঃ সিরাজ।

বিএনপির এই কর্মী বান্ধব নেতা শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন তৃনমুল মানুষের আশার আলো মানবিক সহায়তার বাতিঘর। দীর্ঘদিন ধরে বগুড়ার এই অঞ্চলের মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হিসেবে পরিচিত বিএনপির এই সাবেক সংসদ সদস্য। এলাকার প্রতিটি স্তরে গড়ে তুলেছেন এক অনন্য গ্রহণযোগ্যতা। কি আচরনে, কি মানবিকতায়, কি গ্রহণযোগ্যতায়।

জানা যায়, গোলাম মোঃ সিরাজ ১৯৫০ সালের ১৫ই জানুয়ারি শেরপুর উপজেলার ধনকুন্ডী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তারা বাবা গোলাম রব্বানী সরকার একজন প্রসিদ্ধ জমিদার, রাজনীতিবিদ ও দানবীর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। 

ছাত্রজীবনে তিনি বগুড়া জিলা স্কুল, ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কমার্স গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করেন। পেশায় তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী এবং দেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠী এস আর গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ব্যবসার লভ্যাংশের বড় একটা অংশ তিনি সমাজসেবায় ব্যয় করেন যা তাকে একজন মানবিক নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে।

রাজনীতিতে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়নে বগুড়া -৫ আসন থেকে পঞ্চম, ষষ্ঠ ,সপ্তম ও অষ্টম জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০১৯ সালের উপনির্বাচনে বগুড়া -৬ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আসন থেকেও তিনি বিএনপির মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হন এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন । ২০২২ সালে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিএনপির বিভাগীয় গণ-সমাবেশ থেকে তিনি সহ ৭ জন সংসদ সদস্য দেশের জন্য দলীয় সিদ্ধান্তে জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

শুধু নির্বাচনের সময় নয় বরং বছরের প্রতিটি সময়েই তিনি মানুষের পাশে থেকেছেন।  নির্বাচনী এলাকা শেরপুর ও ধুনটের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গ্রহণ করেছেন নানা পদক্ষেপ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া, সমাজসেবা,মাদকবিরোধী আন্দোলন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে তার অবদান এলাকাবাসীর হৃদয়ে গেঁথে আছে।

তার নিজ গ্রাম ধনকুন্ডীতে নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত শহীদ গোলাম রব্বানী ফাউন্ডেশন প্রতি শুক্রবার ৩০০-৪০০ রোগীর ফ্রি চিকিৎসা সেবা ও বিনামূল্যে ঔষধ প্রদান করে আসছে। অত্র ফাউন্ডেশন কর্তৃক ৫০ জনের অধিক এতিম শিশুর থাকা,খাওয়া,শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন। অসহায়, দুস্থ, অনাথ ও গরীব মানুষদের নিভে যাওয়া আলোর দিশারি শহীদ গোলাম রব্বানী ফাউন্ডেশন। দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসা সেবা সহ অস্বচ্ছল পরিবারের বিয়ে, লেখাপড়া, শিক্ষাবৃত্তি ও অসহায় মানুষদের মৌলিক চাহিদা পুরনে শহীদ গোলাম রব্বানী ফাউন্ডেশন এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

তিনি যুব সমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সমাজ সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে একটি সুন্দর ও নৈতিক সমাজ নির্মাণে কাজ করে চলেছেন। স্থানীয় যুবকদের নিয়ে নিয়মিত ফুটবল ও ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও সচেতনতা সভার আয়োজন করেন, যাতে তারা বিপথে না গিয়ে পরিচ্ছন্ন সমাজ গঠনের পথে এগিয়ে যেতে পারে।

সাবেক এমপি জি এম সিরাজ জানান, মানুষের জন্য কাজ করাই আমার রাজনীতি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা রুপরেখা শুধুমাত্র রাজনৈতিক কর্মসূচি নয় বরং এটি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সুশাসন নিশ্চিতকরন এবং জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষার একটি সুস্পষ্ট রুপরেখা। এই বার্তা গ্রামের প্রতিটা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছি। এই ৩১ দফাই আমাদের ভবিষ্যতের নিরাপত্তা ও ন্যায়ের প্রতীক।

আগামীতে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও যুব উন্নয়নের কাজ আরও বড় পরিসরে করবো ইনশাআল্লাহ। বগুড়া -৫ আসনের তৃণমুলের মানুষ তাকে নেতা নয়, একজন অভিভাবক হিসেবে দেখেন। তার সততা,মানবিকতা এবং অভিজ্ঞ নেতৃত্বের কারনে তৃনমুল পর্যায়ে তিনি মানুষের হৃদয়ের মনিকোঠায় স্থান করে নিয়েছেন। গোলাম মোঃ সিরাজ তৃনমুল মানুষের কাছে এক আস্থা ও ভরসার নাম। তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন যোগ্য প্রার্থী। জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে এলাকার মানুষ আশাবাদী সিরাজ ভাই এমপি হলে আমাদের জীবনমান উন্নয়ন সহ পরিচ্ছন্ন সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সার্বিকভাবে উনি একজন সজ্জন ও জননন্দিত মানুষ।

দৈনিক ক্রাইম ডায়রি// স্পেশাল