হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি ৪ বাংলাদেশি জাহাজ: এক ভীতিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে
ডেস্ক রিপোর্ট:
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) একটি জাহাজ ইরানের ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরের কাছে, ‘বাংলার জয়যাত্রা’ নামক বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজটি এক ভয়াবহ মুহূর্ত পার করেছে, যখন মাত্র ১০০ গজ দূরে ইরানী ড্রোন বিস্ফোরিত হয়। এ ঘটনায় জাহাজটির ৩১ জন নাবিক অক্ষত থাকলেও, বন্দরে পণ্য খালাস স্থগিত করা হয়েছিল।
এই ঘটনার পর, হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি আরও তিনটি বাংলাদেশি জাহাজ অবস্থান করছে। নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে, এসব জাহাজের গতি কমানোর পাশাপাশি কিছু বিধিনিষেধ মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিএসসির জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রা এখনও হরমুজ প্রণালীর ভেতরেই আটকা পড়েছে। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি কাতারের মোসাইয়িদ বন্দর থেকে ৩৮ হাজার ৮০০ টন স্টিল কয়েল নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছায়। পরবর্তীদিন, যুদ্ধসংকুল পরিস্থিতি থেকে সৃষ্ট উদ্বেগের কারণে সেখানে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয় এবং পণ্য খালাস স্থগিত করা হয়।
এই ঘটনার সাথে যুক্ত জাহাজগুলোর মধ্যে রয়েছে কেএসআরএম গ্রুপের দুটি এবং মেঘনা গ্রুপের (মার্কেন্টাইল শিপিং লাইনস) একটি জাহাজ। কেএসআরএম গ্রুপের দুটি জাহাজের মধ্যে একটি ওমানের সালালা বন্দরে এবং অপরটি কুয়েতগামী ছিল, তবে নিরাপত্তার কারণে এগুলোর গতিরোধ করা হয়েছে। আর, মেঘনা গ্রুপের শিপিং লাইনসের একটি জাহাজ আরব সাগরে অবস্থান করছে এবং শারজার খোর ফাক্কান বন্দরে জ্বালানি সংগ্রহের পরিকল্পনা স্থগিত করা হয়েছে।
বিএসসির জাহাজের একজন নাবিক আতিকুল হক, নিজের ফেসবুক আইডিতে ঐ ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলেন, "আমাদের জাহাজের মাত্র ১০০ গজ সামনে ইরানি ড্রোন এসে বিস্ফোরিত হয়। আলহামদুলিল্লাহ, আমরা অক্ষত আছি।" আরেক নাবিক জানান, ড্রোনের বিস্ফোরণ ও তার ভয়াল শব্দে মুহূর্তের জন্য তাদের মনে হয়েছিল যে, তাদের জাহাজটাই ছিল হামলার মূল লক্ষ্য।
দৈনিক ক্রাইম ডায়রি// স্পেশাল










