চাকরির প্রলোভনে ৯ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ স্কুল শিক্ষক ও সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে

ভুক্তভোগী রহিম উদ্দিন জানান, “আমার ছেলে রায়হানকে সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ইউসুফ আলী মাষ্টার ও সেনা সদস্য আব্দুর রহমান ধাপে ধাপে আমার কাছ থেকে ৯ লক্ষ টাকা নেন। কিন্তু দীর্ঘ কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও তারা চাকরি দিতে পারেননি। উল্টো বিভিন্ন অজুহাতে কালক্ষেপণ করে এখন আমাদেরই হুমকি দিচ্ছেন।

চাকরির প্রলোভনে ৯ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ স্কুল শিক্ষক ও সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে
ছবি: দৈনিক ক্রাইম ডায়রি

ভুক্তভোগী রহিম উদ্দিন জানান, “আমার ছেলে রায়হানকে সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ইউসুফ আলী মাষ্টার ও সেনা সদস্য আব্দুর রহমান ধাপে ধাপে আমার কাছ থেকে ৯ লক্ষ টাকা নেন। কিন্তু দীর্ঘ কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও তারা চাকরি দিতে পারেননি। উল্টো বিভিন্ন অজুহাতে কালক্ষেপণ করে এখন আমাদেরই হুমকি দিচ্ছেন।

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:


 ঠাকুরগাঁওয়ে সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে ৯ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক স্কুল শিক্ষক ও এক সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা হলেন হরিপুর উপজেলার ৪নং ডাঙ্গীপাড়া ইউনিয়নের দামোল গ্রামের মৃত আব্দুল সালামের ছেলে ইউসুফ আলী এবং একই এলাকার মোস্তফা রহমানের ছেলে সেনা সদস্য আব্দুর রহমান। ইউসুফ আলী বর্তমানে বীরগড় মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।
বুধবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা এ অভিযোগ তুলে ধরেন।
লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী রহিম উদ্দিন জানান, “আমার ছেলে রায়হানকে সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ইউসুফ আলী মাষ্টার ও সেনা সদস্য আব্দুর রহমান ধাপে ধাপে আমার কাছ থেকে ৯ লক্ষ টাকা নেন। কিন্তু দীর্ঘ কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও তারা চাকরি দিতে পারেননি। উল্টো বিভিন্ন অজুহাতে কালক্ষেপণ করে এখন আমাদেরই হুমকি দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, “সমাজ গড়ার কারিগর একজন শিক্ষক এবং দেশের রক্ষক একজন সেনা সদস্যের কাছ থেকে এ ধরনের প্রতারণা অকল্পনীয় ও ঘৃণিত কাজ।
ভুক্তভোগীরা জানান, এ ঘটনার পর তারা ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা শিক্ষা অফিস, রানীশংকৈল সেনা ক্যাম্প এবং হরিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিকার পাননি।
এ ব্যাপারে জানতে ২৬/১০/২০২৫ইং তারিখ রবিবার দৈনিক ক্রাইম ডায়রি অফিস হতে অভিযুক্ত স্কুল শিক্ষক ইউসুফ আলীকে তার ব্যবহৃত ০১৭৭৪ ৪৫২৫৯৬ এই নম্বরে কল করা হলে তিনি ব্যস্ততার কারনে ফোন না ধরলেও পরে ৩.৪৩ পিএম এ কল ব্যাক করেন।

১ মিনিট ২৪ সেকেন্ড এর কথোপকথনে তিনি জানান তিনি নির্দোষ তার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। এই বিষয়ে কোন তদন্ত হয়েছে কিনা জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান,  এ ব্যাপারে কোন বিভাগীয় কিংবা কোন তদন্ত সংগঠিত হয়নি।


এদিকে ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কাছে টাকা ফেরতের ব্যবস্থা গ্রহণসহ অভিযুক্ত শিক্ষক ইউসুফ আলী ও সেনা সদস্য আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান।

 

দৈনিক ক্রাইম ডায়রি// ক্রাইম