চট্টগ্রামের পতেঙ্গার মাদক ব্যবসায়ী আনোয়ার গ্রেফতার

মাদক ব্যবসায়ীদের থামাতে একটি বহুমুখী এবং সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন।

চট্টগ্রামের পতেঙ্গার মাদক ব্যবসায়ী আনোয়ার গ্রেফতার
ছবি-ক্রাইম ডায়রি

মাদক ব্যবসায়ীদের থামাতে একটি বহুমুখী এবং সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন। 

হোসেন মিন্টুঃ

 সারাদেশে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে   চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানা এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মোঃ আনোয়ারকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম মেট্রো।

মাদক ব্যবসায়ীদের থামাতে একটি বহুমুখী এবং সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন। কেবল আইন প্রয়োগ করে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। এর জন্য সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, পুনর্বাসন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজন। 

গত শনিবার ১,৫০০ পিস ইয়াবাসহ পতেঙ্গার মাদক ব্যবসায়ী মোঃ আনোয়ার (৫২) কে চট্টগ্রাম রেল স্টেশন এলাকা থেকে গ্রেফতার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, "চট্টগ্রাম মেট্রো"। 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম মেট্রো এর উপপরিচালক হুমায়ুন কবির খন্দকার এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে উপপরিদর্শক গোপাল কৃষ্ণ দাস এর নেতৃত্বে একটি টিম সকাল ১০ টায় চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন রেলস্টেশন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মোঃ আনোয়ার (৫২) কে ১,৫০০ (এক হাজার পাঁচ শত) পিস ইয়াবা সহ গ্রেফতার করে মামলা দায়ের করা হয়। 

মাদক ব্যবসায়ী মো: আনোয়ার (৫২), পিতা: মৃত তাজুল হোসেন, মাতা: মৃত রশিদা বেগম, স্ত্রী: শামসুন নাহার, সাং: খালপাড়, স্টীল মিল, আনোয়ারের বাড়ি, উত্তর পতেঙ্গা, থানা: পতেঙ্গা, জেলা: চট্টগ্রাম বলে জানা যায়। 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এই আইনে ইয়াবাসহ নতুন অনেক মাদকের বিষয় আইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং পৃষ্ঠপোষকদের শাস্তির বিধানসহ সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। 

দেশের সীমান্তগুলো দিয়ে মাদকের চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি বাড়াতে হবে। বিশেষ করে যেসব সীমান্ত দিয়ে মাদক বেশি প্রবেশ করে, সেখানে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উপস্থিতি জোরদার করতে হবে। 

মাদক ব্যবসায়ীরা যে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করে, সেই সরবরাহ শৃঙ্খলকে ভেঙে দিতে হবে। এর জন্য মাদক উৎপাদন, পরিবহন, এবং বিক্রির প্রতিটি স্তরে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে হবে।

মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার বিধান রয়েছে। এই বিধানগুলো কার্যকরভাবে প্রয়োগ করে মাদক ব্যবসায়ীদের অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করে দিতে হবে।

পুলিশ, RAB, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে হবে যাতে তারা একত্রিত হয়ে কাজ করতে পারে।

 মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে-জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম মেট্রো এর উপপরিচালক হুমায়ুন কবির খন্দকার।

দৈনিক ক্রাইম ডায়রি // ক্রাইম