বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা: আলেমদের ভাবনা-প্রামাণ্যচিত্র মুক্তি
এক দুই তিন ডেস্কঃ
সম্মানিত সুধী,
আসসালামু আলাইকুম।
আমরা বাংলাদেশের নাগরিক। অথচ বাংলাদেশর স্থপতি জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযু্দ্ধ সম্পর্কে এতোদিন আমরা সঠিকভাবে জানতে পারিনি। ফলে বৃহত্তর সমাজ থেকে আমরা বিচ্ছিন্ন হয়ে আছি। আমরা এর অবসান চাই। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ শুরু হয়ে গেছে এবং আগামী বছর স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্ণ হবে। সরকার ও সুধীজনদের কাছে আমাদের দাবি জাতির জনক,মুক্তিযু্দ্ধ,গণহত্যা, মানবতা বিরোধী অপরাধীদের সম্পর্কিত ইতিহাস আমাদের কওমি পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা করুন। আমরা জাতির জনককে জানতে চাই,দেশকে জানতে চাই,এবং এর ফলে আমাদের সম্পর্কে বৃহত্তর সমাজের বিভ্রান্তি দূর হবে। এই বিভ্রান্তি দুর করার লক্ষে কওমি ওলামায়ে কেরামকে নিয়ে একটি স্বাধীন 'মুক্তিযু্দ্ধ কওমি কমিশন' করার দাবি জানাই।
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনকে সামনে রেখে মাদ্রাসা ও আলেম ওলামাদের নিকট 'বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা'- তুলে ধরা-দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ জাতি গঠন এবং বৈষম্যহীন অসাম্প্রদায়িক স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণে অবিরাম পথ চলার প্রত্যয় নিয়ে হাসান রফিক ও এয়াকুব বাদশা'র যৌথ পরিচালনায় সামাজিক সংগঠন স্বপ্নের বাংলাদেশ এই প্রথম নির্মাণ করেছে "বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা:আলেমদের ভাবনা" শিরোনামের প্রামাণ্যচিত্র।
আমরা নিজেদের দাযিত্ববোধ ও বিবেকের তাড়নায় এই প্রথম ব্যতিক্রমী ভিন্নধারার অতি দূর্লভ সাক্ষাতকার ভিত্তিক ১০০ মিনিট দৈর্ঘের এই প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মাণ করি।
এই প্রামাণ্যচিত্রে উঠে এসেছে------যথা
১.ইসলামের প্রচার প্রসারে বঙ্গবন্ধু
২.বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা:আলেমদের ভাবনা
৩.কওমি পাঠ্যক্রমে মুক্তিযু্দ্ধ ও বাংলাদেশের ইতিহাস চর্চা
৪.কওমি মাদ্রাসায় জাতীয় দিবস পালন
৫.ইসলামের প্রচার ও প্রসারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অবদান এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ওলামায়ে কেরামের অবদান;পক্ষে-বিপক্ষে মতামত
আমরা এই প্রামাণ্যচিত্রটি উৎসর্গ করেছি-----
স্বাধীন বাংলাদেশর স্থপতি,সোনার বাংলার স্বপ্নদ্রষ্টা,বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা,বিশ্বের সকল নিপীড়িত-শোষিত-বঞ্চিত মানুষের অধিকার অাদায় ও মুক্তির প্রতিভূ,শতাব্দীর সেরা রাষ্ট্রনায়ক বিশ্ববন্ধু এবং সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত ৩০ লক্ষ শহীদ,সম্ভ্রম হারানো আড়াই লক্ষ মা-বোনদেন পবিত্র স্মৃতির প্রতি ও বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসূরি,গণতন্ত্রের মানসকন্যা,মাদার অব হিউমিনিটি-কওমি জননী ও দেশনেত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার স্মৃতির করতলে। যিনি ষড়যন্ত্রককারী ও জঙ্গি কাপুরুষদের বারবার নগ্ন হামলা-হত্যাচেষ্টা সত্ত্বেও নিজেকে উৎসর্গ করেছেন;বাংলাদেশর মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায়। তিনি যে রাষ্ট্রের যোগ্য নির্বাহী প্রধান;আমরা সে রাষ্ট্রের গর্বিত নাগরিক।
বিনীত
এয়াকুব বাদশা
সভাপতি
স্বপ্নের বাংলাদেশ


crimediarybd1








