জনদুর্ভোগ থেকে স্বস্তির নগরী: কাওসার আলমের কার্যক্রমে বদলে গেছে ট্রাফিক চিত্র
হোসেন মিন্টু, চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান:
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টি আই) মোঃ কাওসার আলম। সততা, নিষ্ঠা, দক্ষতা ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি সাধারণ
মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। একজন চৌকস ও দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর কর্মদক্ষতা আজ সর্বমহলে প্রশংসিত। মোঃ কাওসার আলম ২০১১ সালের ৩ জুলাই বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে পুলিশ সার্জেন্ট হিসেবে যোগদান করেন।
চাকরিজীবনের শুরু থেকেই তিনি অত্যন্ত আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দীর্ঘদিন রাজধানীর ডিএমপিতে কর্মরত থেকে তিনি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দেন।
তাঁর কর্মনিষ্ঠা, বিচক্ষণতা ও সফল কার্যক্রমের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৫ সালের ২০ জুলাই তিনি ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টি আই) পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশে (সিএমপি) যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি ট্রাফিক বন্দর বিভাগের অধীনে টি আই এয়ারপোর্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
যোগদানের পর থেকেই পতেঙ্গা সিমেন্ট ক্রসিং থেকে শুরু করে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং টার্মিনাল এলাকাসহ পুরো গুরুত্বপূর্ণ সড়ককে যানজটমুক্ত রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর সঠিক পরিকল্পনা, কার্যকর তদারকি ও কঠোর মনিটরিংয়ের ফলে দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার অনেকটাই সমাধান হয়েছে।
বর্তমানে এলাকাবাসী স্বস্তির সাথে চলাচল করতে পারছেন এবং পুরো এলাকায় একটি শৃঙ্খলাপূর্ণ ও মনোরম পরিবেশ ফিরে এসেছে। বিশেষ করে কর্মঘণ্টার ব্যস্ত সময়েও সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে তাঁর তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা প্রশংসা কুড়িয়েছে সর্বমহলে।
সাধারণ মানুষ, যাত্রী, চালক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তাঁর কাজের ভূয়সী প্রশংসা করছেন। এলাকায় এখন মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত হচ্ছে টি আই মোঃ কাওসার আলমের নাম।
একজন মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে তিনি ইতোমধ্যে মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন।স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, এ ধরনের সৎ, দক্ষ ও কর্মঠ কর্মকর্তাদের কারণেই পুলিশ বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
মোঃ কাওসার আলমের মতো নিবেদিতপ্রাণ কর্মকর্তারা দেশ ও জাতির জন্য গর্বের প্রতীক। তাঁর সততা, কর্মস্পৃহা ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা ভবিষ্যতেও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন এনে দেবে বলে সকলের প্রত্যাশা।
দৈনিক ক্রাইম ডায়রি // মহানগর










