করোনাভাইরাস : চীনের বাইরে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ইতালিতে

এক দুই তিন ডেস্কঃ

করোনাভাইরাস : চীনের বাইরে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ইতালিতে
ইতালীর মিলান শহর নিয়ন্ত্রণে নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা ছবি : রয়টার্স

করোনাভাইরাসে চীনের বাইরে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ইতালিতে। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩৩ জনে। আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৮শ জন। দেশটির উত্তরাঞ্চল, লম্বারডিতে ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষকে কোয়ারেন্টাইন করে রাখা পরিকল্পনা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা ৪শ ছাড়িয়েছে। মারা গেছেন ১৯ জন। নিউইয়র্কসহ ৮টি রাজ্যে জারি করা হয়েছে জরুরি অবস্থা। বিশ্বব্যাপী আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার। মারা গেছেন ৩ হাজার ৫৫৮ জন।

করোনায় লণ্ডভণ্ড চীনের পর এবার যেন পালা ইতালির। দেশটির সবকটি অঞ্চলে ছড়িয়েছে ভাইরাসটি। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা।

ইতালির করোনা বিষয়ক কমিশনার বোরেলি বলেন, ‘লোম্বার্ডি অঞ্চলের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। আমরা এই যুদ্ধে জিতবই। এজন্য সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।’

যুক্তরাষ্ট্রকেও গ্রাস করেছে করোনা। ছড়িয়ে পড়েছে দেশটির অর্ধেকের বেশি রাজ্যে। বাড়ছে মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা। ক্যালিফোর্নিয়ার আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমায় একটি প্রমোদতরীতে কয়েকজন যাত্রীর শরীরে করোনা শনাক্ত হলে পুরো জাহাজটিকে কোয়ারেন্টাইন কোরে রাখা হয়েছে। যাতে ক্রু-যাত্রী মিলিয়ে আছেন সাড়ে ৩ হাজার মানুষ।

মিসর, লেবানন, ইতালি ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে আগতদের স্বেচ্ছায় কোয়ারেন্টাইনে থাকার আদেশ দিয়েছে সৌদি সরকার।

দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ১৩৪ জনে। যুক্তরাজ্যে ২০৪ ও ফ্রান্সে আক্রান্ত হয়েছেন ৭শর বেশি। জনসমক্ষে না এসে এখন ভিডিও কনফারেন্সেই ধর্মীয় বক্তব্য দেন ভ্যাটিকান পোপ।

ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা তুলনামূলক কম হলেও আতঙ্ক বিরাজ করছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। স্থানীয়রা জানান, সবাইকেই ভয় লাগছে। জানি না কার মাধ্যমে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই মারা যাবেন। মহামারি দেখে হাসপাতাল ছেড়ে ডাক্তার ও নার্সদের পালানোর ইতিহাসও আছে।

বিশ্বব্যাপী করোনার প্রকোপ বাড়লেও কমছে উৎপত্তিস্থল চীনে। শনিবার (৭ মার্চ) নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ৪৪ জন। মারা গেছেন আরও ১৯ জন।