'বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের উপর ভিত্তি করে এগিয়ে নিতে হবে'

অন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

'বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের উপর ভিত্তি করে এগিয়ে নিতে হবে'

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের আদর্শিক বিচ্যুতির ফলেই ভারতের সাথে সম্পর্কের অবনতি ঘটতে শুরু করে বলে মনে করেন দিল্লির গবেষকরা। যে সম্পর্ক গত কয়েক বছরে পুনরুদ্ধার হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সেই আদর্শের উপর ভিত্তি করেই দুই দেশকে এগিয়ে যেতে হবে বলে মত তাদের।

 

১০ জানুয়ারি ১৯৭২, লাল সবুজের মহানায়ককে দেখতে দিল্লি বিমানবন্দরে লাখো মানুষ। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতিকে অভিবাদন জানান, ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।

বাংলাদেশের সাথে ভারতের সম্পর্কের গোড়াপত্তন এই দুজেনর হাতেই। কারণটা স্পষ্ট ছিলো বঙ্গবন্ধুর দরাজ কণ্ঠে।

ভারতের সাবেক উপ সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.)  আর. কে. সহনি বললেন, বঙ্গবন্ধু স্বমহিমায় চির উজ্জ্বল। ১৯৭৫ সালে তাকে হত্যার পৈশাচিক ঘটনা উপমহাদেশের ইতিহাসেরই কলঙ্কজনক অধ্যায়।

দিল্লির গবেষকদের মতে বঙ্গবন্ধু ও ইন্দিরা গান্ধীর হাতে গড়া আদর্শিক সম্পর্কই দুই দেশের সম্পর্কের ভিত্তি। সেই পথ ধরে দুই দেশের সম্পর্কের উন্নয়ন হবে আরো শক্তিশালী।

বাংলাদেশে ভারতের সাবেক হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, ওনার মূল্যায়ন করা তো অতো সহজ নয়।

বঙ্গবন্ধুতে সম্মান জানাতে ২০১৬ সালে ভারত সরকার তার নামে নামকরণ করে নয়া দিল্লির একটি মূল সড়ক। সাথে একটি লেনের নামও দেয়া হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে।

দীল্লির গবেষকরা বলছেন, যে আদর্শের উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, সেই আদর্শগত মিলের কারণেই ১৯৭১ এ বাংলাদশ-ভারত সম্পর্কের গোড়াপত্তন হয়। তবে সেই সম্পর্ক হোঁচট খায় ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে। যদিও গতকয়েক বছরে সেই সম্পর্কের যে উত্থান হয়েছে সেই আদর্শের উপর ভিত্তি করেই এগিয়ে যেতে হবে ২ দেশকে তাঁদের নিজের স্বার্থেই।

সূত্র: চ্যানেল ২৪